একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর তৈলবীজ যা বিভিন্ন রান্নায়, নাড়ু বা মিষ্টি তৈরিতে এবং রূপচর্চায় বহুল ব্যবহৃত হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে যা হাড় ও হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ১-২ চামচ সাদা তিল রাখলে নিচে উল্লিখিত প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো পাওয়া যেতে পারে:১. হাড় ও দাঁতের মজবুত গঠনসাদা তিলকে ক্যালসিয়ামের খনি বলা হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও জিঙ্ক থাকে, যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়, জয়েন্টের বাতের ব্যথা কমায় এবং দাঁতকে মজবুত করে।২. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণএতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড) এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ‘সেসামিন’ ও ‘সেসামোলিন’ রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালীর স্বাস্থ্য ভালো রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসাদা তিলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ম্যাগনেসিয়াম রক্তনালীকে শিথিল রাখতে ও উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।৪. হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূরএই বীজে উচ্চ মাত্রায় ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে। এই ফাইবার অন্ত্রের গতিবিধি স্বাভাবিক রাখে, পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।৫. ডায়াবেটিস ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণসাদা তিলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম এবং এতে থাকা ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রক্তে চিনি বা গ্লুকোজের শোষণ প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে। এর ফলে হঠাৎ করে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় না।৬. ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতিল ভিটামিন-ই এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ। জিঙ্ক শরীরে কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে যা ত্বককে টানটান ও উজ্জ্বল রাখে এবং এর ফ্যাটি অ্যাসিডগুলো চুলের গোড়া মজবুত করে চুল পড়া রোধ করে।খাওয়ার নিয়ম:সাধারণ খাবারের স্বাদ বাড়াতে এটি তরকারি, সালাদ বা ওটসের ওপর ছড়িয়ে খাওয়া যায়।তিল হালকা ভেজে (Roast) গুঁড়ো করে খেলে বা সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে এর পুষ্টি উপাদানগুলো শরীর খুব সহজেই শোষণ করতে পারে।

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “সাদা তিল ( White Sesame Seeds)।”

Your email address will not be published. Required fields are marked *